Showing posts with label ময়ুর(Peafowl). Show all posts
Showing posts with label ময়ুর(Peafowl). Show all posts

সবুজ ময়ূর

সবুজ ময়ূর বা বর্মি ময়ুর আমাদের এই প্রাকৃতিক সুন্দর বাংলাদেশে আল্লাহর সৃষ্টি সুন্দরের আরেকটি প্রতীক ছিল এই সবুজ ময়ূর না Green Peafowl (Pavo muticus). এই সবুজ ময়ূর (পুরুষ) অত্যন্ত সুন্দর হয়ে থাকে। পিঠ ও ঘাড় এর বঙ মোহনীয় মায়াবী সবুজ এবং লেজের পেখমের প্রান্তে কালো চক্রের মধ্যে বেগুনি ফোটার নকশা এঁকে দিয়েছে স্বর্গীয় সৌন্দর্য্য। সরু কালো ঢেউসহ পিতল, সবুজ ও বেগুনি দাগ পুরো দেহটিকে করেছে অত্যন্ত আকর্ষনীয়। অত্যন্ত হতাশার খবর হল এই ময়ুরই চিরদিনের জন্য হারিয়ে গেছে বাংলাদেশের প্রকৃতি থেকে যা আর আসবেনা।

সবুজ ময়ূর পার্বত্য চট্টগ্রামের চিরসবুজ বনভূমি এলাকাগুলিতে বসবাস করত। বর্তমানে মায়নামারের পার্বত্য এলাকায় এখনো ভালোভাবেই টিকে আছে। মায়ানমার ছাড়াও থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়ার জাভাতে কঠোর সরকারি নিরাপত্তায় এই সবুজ ময়ূর বুনো অবস্থায় বেঁচে আছে।

এই সবুজ ময়ূর বার্মার জাতীয় পাখি এবং পেখম তোলা ময়ুরের ছবি রাজকীয় চিহ্ন বা প্রতিক হিসেবে খুব সন্মানের সাথে ব্যবহৃত হয়। এই ময়ূরের অন্য নাম বর্মি ময়ূর ও বটে।

Read More

কাঠ ময়ুর


কাঠমৌর বা কাঠ ময়ুর বাংলাদেশের পার্বত্য এলাকায় একসময় ভাল রকমেই ছিল। বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরেও এটি অনেক জায়গায় দেখার তথ্য আছে। বর্তমানেও মাঝে মাঝে হঠাৎ এর ডাক শুনা যায় বলে অনেকে বলে থাকেন।
এরা Phasianidae গোত্রের পাখি যার ইংরেজি নাম Grey Peacock-Pheasant এবং বৈজ্ঞানিক নাম Polyplectron bicalcaratum; যার অর্থ নখরধারী কাঠমৌর। অন্যান্য Pheasant এর মতো এই কাঠমৌর এর ছেলে পাখি ও মেয়ে পাখির মধ্যেও আকার ও চেহারায় কিছুটা আলাদা বৈশিষ্ট দেখা যায়। ছেলে পাখির পিঠে সুন্দর নকশা ও লম্বা লেজ থাকে। মেয়ে পাখি ছেলে পাখির চেয়ে ছোট এবং অনুজ্জ্বল।

বাংলাদেশের পাহাড়ি এলাকা যেমন সিলেট ও পার্বত্য বনাঞ্চলে পাওয়া যায়। বাংলাদেশ ছাড়াও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ যেমন ভারত, ভুটান, মায়ানমার, থাইল্যান্ড এমনকি ভিয়েতনামেও এই কাঠমৌর বন্য অবস্থায় পাওয়া যায়। সারা পৃথিবীতে এরা বিলুপ্তির মুখে না থাকলেও বাংলাদেশ এরা মহাবিপন্ন অবস্থায় রয়েছে এবং বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী আইনেও এটি সংরক্ষিত।

মাইন রানা

Read More

কালা মথুরা

কালা মথুরা বা কালা ময়ূরকে প্রথম দেখে অনেকে মুরগি বলে ভুল করলেও মথুরা কিন্তু মুরগি নয়। ছেলে ও মেয়ে মথুরার চেহারা ও আকারে অনেক পার্থক্য। পুরুষ মথুরার পিঠ উজ্জ্বল কালো নীল মেশানো সুন্দর পালকে আবৃতি থাকে পিছনের পালকগুলি সাদা নকশা করা। লেজের পালকগুলি লম্বা ও কালো। মাথায় সুন্দর ঝুটি আছে এবং লতিকা লাল টকটকে। মেয়ে পাখির দেহ অনুজ্জল বাদামি।

এর ইংরেজি নাম Kalij Pheasant, দ্বিপদী নাম Lophura leucomelanos এরাও Phasianidae গোত্রের পাখি তাই মাটিতেই এরা বিচরণ করে এবং চরে বেড়ায়। মার্চ-অক্টোবর মাসে এরা প্রজনন করে। মেয়ে পাখি ডিম পাড়ে এবং তা দিয়ে বাচ্চা ফুটায়। মথুরা খুব সকালে এবং সন্ধায় সক্রিয় থাকে তাই সচারচর চোখে পড়ে না। 

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও সিলেটের চিরসবুজ বনে এদের বেশী দেখা যায়। বাংলাদেশ ছাড়া হিমালয় দক্ষিণ অঞ্চলের দেশ যেমন ভারত, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার ও থাইল্যান্ডে এর বিস্তৃতি রয়েছে। 
সারা পৃথিবীতে কালা মথুরা বিপন্ন না হলেও বাংলাদেশে এদের অবস্থা তেমন ভাল নাই। এরা ইতোমধ্যে বিপন্ন তালিকায় চলে গেছে যদিও বাংলাদেশের বন্যপ্রানী আইনে এটি সংরক্ষিত।  

এরা ঝাড়বো কুরো বা পাকরা ময়ূর নামেও পরিচিত।
মাইন রানা

Read More

সোনালী মথুরা

সোনালি ফ্যাজেন্ট এর অন্য নাম চায়না ফ্যাজেন্ট এটি আমদের দেশের বন মোরগের কাছাকাছি এবং এরা একই বর্গ (Galliformes) এর অন্তর্ভুক্ত। সোনালী রঙ, মাথায় মুকুট, লাল দেহ, লম্বা লেজের এই পাখিটি অত্যন্ত সুন্দর ও আকর্ষনীয়। এটি চায়নায় পশ্চিমাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় পাওয়া যায়।

Read More

সাদা মথুরা

সিলভার ফিজ্যান্ট এক ধরনের রঙ্গীন পক্ষী। দক্ষিণ চীন ও মায়ানমারের পশ্চিমাংশে পাওয়া যায়। পুরুষ পাখির লেজ লম্বা ও মাতায় লম্বা ক্রেষ্ট আছে। পাখার উপরের অংশ সাদা পালক দ্বারা আবৃত। পাখির ঠোঁট হলুদ, পায়ের রং লাল। স্ত্রী পাখীর পালকের রং বাদামী।
প্রকৃতিতে এরা কচি ঘাস, পাতা ও ছোট কীট পতঙ্গ খায়। চিড়িয়াখানায় এদেরকে ডিম, পেঁপে, পোল্ট্রিফিড ও চিনা বাদাম সরবরাহ করা হয়।
এদের প্রজনন সময় মার্চের মাঝামাঝি। স্ত্রী পাখি ৬-৮ টি ডিম দেয়। ডিম থেকে বাচ্চা ফুটতে ২৫-২৬ দিন সময় লাগে।

Read More

ময়ুর

ভারতীয় ময়ুরই আমাদের কাছে ময়ুর। অদ্ভুত সুন্দর এ পাখিটির একটি নমুনাও আর এ দেশের প্রকৃতিতে বেঁচে নেই। অথচ ৭০-৮০ বছর আগেও ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর এলাকায় মহানন্দে ঘুরে বেড়াত এরা। বাংলাদেশে সব শেষ ভারতীয় ময়ুর দেখা গেছে আশির দশকের গোড়ার দিকে, ঢাকার শ্রীপুরের শালবনে। চট্টগ্রাম আর পার্বত্য চট্টগ্রামের গহিন অরণ্যে ছিল বর্মি ময়ুরের বাস। সম্ভবত এরাও বিলুপ্ত হয়েছে। ময়ুর ফিজিয়ানিডি পরিবারের পাভো বর্গের অন্তর্ভুক্ত ফিজ্যান্ট-জাতীয় পাখি । সাধারণত বনে বাস করে এবং মাটিতে বাসা বাঁধে।তবে মাঝে মাঝে লোকালয়েও দেখা যায়। বিশেষ করে সংরক্ষিত এলাকায় এরা মানুষের খুব কাছে চলে আসে। এরা সর্বভূক। চারা গাছের অংশ, কীটপতঙ্গ, বীজের খোসা, ফুলের পাপড়ি এবং ছোট ছোট সন্ধিপদ প্রাণি খায়। ডিম ফুটে বাচ্চা দেয়। ছোট বাচ্চাগুলো মুরগির বাচ্চার মতই মায়ের সাথে ঘুরে ঘুরে খাবার খায়। বিপদ দেখলেই মায়ের ডানার নিচে এসে লুকায়। ছোট বাচ্চারা মুরগির বাচ্চার মতই মায়ের পালকের আড়ালে, আবার কখনবা পিঠের উপর লাফিয়ে ওঠে।
সামনেরটা মেয়ে, পিছনেরটা পুরুষ
পুরুষ ময়ূরগুলোর পেখম থাকে, মেয়েগুলোর থাকেনা।স্ত্রী ময়ূরকে আকৃষ্ট করার জন্য পুরুষ ময়ূর পেখম তোলে। এ কারণেই এরা অত্যন্ত আকর্ষণীয়। ময়ূরের ইংরেজী নাম Peafowl তবে পুরুষ ময়ুরগুলোকে peacock বলে আর স্ত্রীগুলোকে peahen বা female peacock বলে। বেশ কয়েক ধরণের ময়ূর দেখা যায়। যেমন_
১. দেশি ময়ূরঃ Indian Peafowl(Pavo cristatus)  
২. সবুজ ময়ুরঃ Green Peafowl (Pavo muticus)
৩. সাদা ময়ূরঃ White Peafowl
৪. বর্মী ময়ূরঃ Burmese Peacock Softshell (Nilssonia formosa)
৫।কাঠ ময়ূরঃ Wooden Peacock (Polyplectron bicalcaratum)
৬। মথুরা বা কালো ময়ূরঃ Black Peafowl (Lophura leucomelanos)

Read More