সাদা মানিকজোড়
সাদা মানিকজোড় এক মস্ত বড়ো আকারের পাখি। ওর একটা লম্বা লাল লেজও আছে। এদের প্রধান খাবার পোকা-মাকড়, সাপ, ব্যাঙ, আরো কিছু পিচ্চি পিচ্চি প্রাণী এমনকি ছোটোখাটো পাখিও! তবে এই মহা খাদক পাখিটা আবার তেমন কোনো শব্দই করতে পারে না, কেবল হিসসস করে একটা মৃদু শব্দ করতে পারে। এই বিশাল আকৃতির মানিকজোড়েরা থাকে ইউরোপ, আফ্রিকার উত্তর-পশ্চিম আর এশিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে। আর শীতকাল এলে এশিয়ার আরো পশ্চিমে চলে আসে ওরা, চলে আসে বাংলাদেশ আর ভারতে।
নাবীল
শামুকখোল বা শামুকভাঙ্গা
জীবজগতের একটা বিরাট অংশ গোটা পৃথিবী থেকেই খুব দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের দেশের বিপন্ন পশু-পাখির মধ্যে শামুকখোল অন্যতম। শামুকখোলের মত বড় পাখিদের জন্য বেশী খাবার দরকার আর সেই সাথে বাসা বানাবার জন্য চাই বেশ পুরাতন লম্বা গাছ যা বড় পাখিদের কাছে বেশ দুর্লভ হয়ে পড়েছে। এক সময় বাংলাদেশের সব জায়গায় শামুকখোল দেখা যেতো। শুধু শামুক-ঝিনুক খেয়েই বেঁচে থাকতে পারে এরা। শামুকের প্রতি আসক্তির কারণেই বাংলার মানুষ তার নাম দিয়েছিল শামুকভাঙ্গা, শামুকখোর, শামুকখোল কিম্বা শামখোল।
শামখোলের ইংরিজি নাম ওপেন-বিল, যার অর্থ খোলাঠোঁট। শামখোলের বৈজ্ঞানিক নামটা আরো মজার- অ্যানাস্টোমাস অসিট্যান্স - যার মানে ‘হাই-তোলা মুখ’। শামখোলের খোলা ঠোঁটের রহস্যের মতই তার কিছু কিছু আচরণেরও ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না।
একবার আংটি-পরানো এক শামখোল-ছানাকে থাইল্যান্ডে তার বাসা ছেড়ে বিদায় হবার কয়েক দিনের মধ্যেই ১৫০০ কিলোমিটার দূরে বাংলাদেশে পাওয়া গেল। শামখোল সাধারণত দূর-পাল্লার পরিব্রাজক নয়। তাই ঐ ছানাটির বাংলাদেশ সফরের রহস্য আজও ব্যাখ্যা করা যায়নি।
এক হিসেবে দেখা গেছে, পৃথিবীতে এখন মাত্র এক লক্ষ শামখোল টিকে আছে। বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান আর শ্রীলঙ্কাই তাদের শেষ আশ্রয়। বাংলাদেশ আর শ্রীলঙ্কায় এখন শামখোলের কোন প্রজননভূমি নেই। ভারতের প্রজননভূমিতেও প্রচন্ড খরার জন্যে কোন কোন বছর শামখোলের প্রজনন বন্ধ থাকে।
এর ইংরেজী নাম Asian Openbill বা Asian Openbill Stork আর বৈজ্ঞানিক নাম Anastomus oscitans।
মদনটেক
বাংলাদেশে চট্টগ্রামের রাউজান থানার ইয়াসিন নগরে ২০০৭ সালে ধরা পড়ে প্রায় বিলুপ্ত প্রজাতির একটি মদনটাক পাখি। প্রায় ১২ কেজি ওজনের এ পাখিটি এলাকাবাসী সেদিই চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় দেয়।এ বিষয়ে আরও পড়ুন
হাড়গিলা
সারস
আমাদের দেশে যত পখি আছে তার ভিতরে সারসই সব চেয়ে বড়। সারসের গায়ের অধিকাংশ পালকই ধূসর, মাথা উপরে পালক থাকেনা, পা ২টা লালচে। এরা খাল, বিল প্রভৃতি জলাশয়ের ধারে চড়ে বেড়ায় তাই একে কূলচর পাখিদের মধ্যে ধরা হয়। সুউচ্চ এই পাখিরা লম্বা লম্বা পা ফেলে জলাভূমিতে ঘুরে বেড়ায়। ইউরোপ,উত্তর আমেরিকা,এশিয়ায় ছড়িয়ে আছে এদের নানা প্রজাতি। গরমের সময় সাইবেরিয়াতেও এদের দেখা মেলে। এরা পোকা মাকর, শামুক, ব্যাঙ, গিরগিটি, নেংটি ইঁদুর, মাছ ও ছোটো জলজ প্রাণী ধরে খায় আবার কচি শাকপাতা,মূল,কন্দ, ধান, গম, যবও খায়।মাঝেমধ্যে ক্ষুধার্ত সারস বাসা ছেড়ে যাবার আগে নিজের বাচ্চাকেই খেয়ে ফেলে। সারস'রা গাছের ডালে বসতে পারেনা তাই মাটিতেই চড়ে বেড়াতে হয়।
এদের ৬টি Genus বা গণে (Anastomus, Ciconia, Ephippiorhynchus, Jabiru, Leptoptilos, Mycteria) ১৯টি প্রজাতি দেখা যায়। যেমন_










_in_Kolkata_I_IMG_0495.jpg)

_near_Hodal_I_Picture_2021.jpg)


.jpg)


_in_shallow_waters_in_Kolkata_W_IMG_4442.jpg)







