Showing posts with label টিয়া(Parrot). Show all posts
Showing posts with label টিয়া(Parrot). Show all posts

ফুলমাথা টিয়া


এর ইংরেজি নাম Blossom-headed Parakeet দ্বিপদী নাম Psittacula roseata.
গোলাপী মাথা ও সবুজ রঙের দেহ এই টিয়ার প্রধান আকর্ষণ। বুকের পালক হালকা সবুজ ও পীঠ গাঢ় সবুজ। এর ঠোঁট হলুদ এবং গলায় কালো বন্ধনী দেখা যায়। এর লেজ অনেক বড় ও সূচালো হয়ে থাকে। সিলেটের পাহাড়ি ও চা বাগান এলাকায় একে বেশী দেখতে পাওয়া যায়। ২ টি উপপ্রজাতির মধ্যে বাংলাদেশে Psittacula roseata roseate পাওয়া যায়।


মাইন রানা

Read More

সবুজ টিয়া


সবুজ টিয়া ইংরেজিতে একে বলে Rose-ringed Parakeet যার বৈজ্ঞানিক নাম Psittacula krameri.

এর সবুজ রঙ অনেক বেশী সুন্দর। যেন কচি পাতার সবুজ রঙে এর পুরো দেহ আবৃত। এর ঠোঁট টুকটুকে লাল। গলায় গোলাপী একটা রিঙ রয়েছে। এর লেজ অনেক লম্বা ও সুচালো। ৪ টি উপপ্রজাতির মধ্যে Psittacula krameri borealis বাংলাদেশে পাওয়া যায়। বাংলাদেশের সব এলাকায় একে পাওয়া যায়।



মাইন রানা ও উইকিপিডিয়া

Read More

চন্দনা টিয়া

ইংরেজ বীর "আলেকজেন্ডার দি গ্রেট"র নাম অনুসারে এই পাখির নাম করা হয়েছে Alexandrine Parakeet। আলেকজেন্ডার এই টিয়া পাখিটি পাঞ্জাব থেকে ইউরোপ ও ভূমধ্যসাগরীয় এলাকা সহ বহু জায়গায় ছড়িয়ে দেন। এই টিয়া পাখি বিখ্যাত ও সন্মানিত ব্যাক্তিদের রাজকীয় পুরস্কার বা প্রতীক হিসেবে দেওয়ার প্রচলন করেন।

চন্দনা টিয়া Psittaculidae গোত্রের একটি পাখি। এটি সকল টিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং খুব সুন্দর হয়ে থাকে। পুরুষ টিয়ার গলার পিছনে ও ঘাড়ের পাশের স্পষ্ট গোলাপি রংয়ের দাগ আছে। পুরো দেশ মোহনীয় ঘাস সবুজ রঙের। এদের শুষ্ক ও আদ্র পাতাঝরা বনে বেশী দেখা যায়। বাংলাদেশে এদের মাঝে মাঝে দেখা যায়। বাংলাদেশ ছড়াও দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশেই এদের পাওয়া যায়। বাংলাদেশে এটি মহাবিপন্ন বলে মনে করা হয়।

লিখেছেন: মাইন রানা

Read More

মদনা

মদনা'র আরেক নাম লাল বুক টিয়া। যার ইংরেজী নাম The red breasted parakeet ও প্রাক্তন নাম Psittacula alexandri।

Read More

লটকল

টিয়া বলতে আমরা লাল বাঁকানো ঠোঁটের, সবুজ পালকে ঢাকা লম্বা লেজের টিয়াকেই বুঝি। কিন্তু খাটো লেজি ছোট টিয়াও আছে। ছোট প্রজাতির এই টিয়াকে লটকল বলে। তবে সিলেট অঞ্চলে একে বটো বলে। এর ইংরেজী নাম Vernal Hanging Parrot দ্বিপদী বা বৈজ্ঞানিক নাম Loriculus vernalisসবুজ রঙের পালকে ঢাকা ছোট (১৪ সেমি.) সুন্দর এই পাখিটির ঠোঁট লাল বাঁকানো। পিঠের নিচেরদিকে লেজের ডগার আগ পর্যন্ত লাল। লেজের ডগা সবুজ। পা হলুদে লাল।
ছোট টিয়া লটকল
লটকল ফলের সাথে ঝুলে থেকেই ফল খায় তাই হয়ত অনেকে একে ঝুলন্ত টিয়াও বলে। এরা ফল ভুক পাখি । তবে ফলের বীজও খায়। ল্যাটকা টিয়া গাছের ফোকরে বাসা বাঁধে। এরা তিনটি পর্যন্ত ডিম দিয়ে থাকে। মা লটকল ডিমের যত্ন নেয়। ২০ দিনে বাচ্চা ডিম থেকে বেরিয়ে আশে । প্রায় ৩৩ দিনে বাচ্চা বাসা ছেরে চলে যায় নতুন জীবনের সন্ধানে।
Vernal Hanging Parrot male
ছোট সুন্দর ল্যাটকা টিয়া আমাদের বাংলাদেশের পাখি। অনেকে এদের বাহিরে থেকে আনা অ্যাকুরিয়াম পাখি মনে করে। এদের বাস সিলেট ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি বনে। বাংলাদেশের অন্য অঞ্চলে এদের দেখা যায় না।
Vernal Hanging Parrot Female
বন ধ্বংস করে সেখানে বিদেশি গাছ লাগানোর ফলে বনের প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্ট হওয়ায় বনের বাসন্তী লটকন টিয়া পাখি হুমকির মুখে। তার উপর সুন্দর এই পাখিগুলোকে ধরে খাঁচায় বন্দী করায় এরা আরও বিপন্ন।

লেখা – ঋজু আজম
ছবি – ইন্টারনেট

Read More

স্কারলেট ম্যাকাও

ম্যাকাও আমাদের টিয়ারই স্বগোত্রীয়। এদের নিবাস মূলত দক্ষিণ আমেরিকায়। তবে উত্তর আমেরিকার কিছু অংশেও এদের দেখা মেলে। অতি দুর্লভ জাতের এই পাখির নাম স্কারলেট ম্যাকাও। শুধু দেখতে সুন্দর তাই নয় অনেক গুণও আছে। শেখালে এরা মানুষের অনুকরণে ‘কথা বলতে’ পারে, খেলাধুলাও করতে পারে কিছু কিছু।
 পাখিটি দৈর্ঘ্যে ৩৩ থেকে ৩৫ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়ে থাকে। গভীর জঙ্গলে বড় গাছের কোঠরে, বিশেষ করে পাইন গাছে বাসা বাঁধে। এদের গড় আয়ু প্রায় ৫০ বছর। এরা বছরে একবার দুই থেকে চারটি ডিম পাড়ে। দক্ষিণ আমেরিকার আমাজান জঙ্গলে বসবাসকারী স্কারলেট উপজাতির লোকজন এই পাখির পালক দিয়ে তাদের বাহারি পোশাক, মুকুট ও অলংকার তৈরি করে।

Read More

ফুলটুসি টিয়া

আমাদের অত্যন্ত পরিচিত সবুজ টিয়ার চেয়ে সামান্য ছোট (লম্বায় ৩৬ সেন্টিমিটার, পাখা ১৪ দশমিক ৫, ঠোঁট দুই ও লেজ ১৭ সেন্টিমিটার) আকারের পাখি ফুলটুসি টিয়া। ইংরেজি নাম ব্লসম হেডেড প্যারাকিট। পুরুষ পাখির লেজ ও পাখার উপরিভাগ গাঢ় সবুজ। পাখিটির ঘাড়, বুক ও পেটের রং হলদে সবুজ। কাঁধে প্রবাল লাল কয়েকটি পালক দেখা যায়। মাথার রং গোলাপি লাল, কণ্ঠি, চিবুক ও গলার অংশ কালো। ওপরের ঠোঁট হালকা গোলাপি, নিচের ঠোঁট গাঢ় বাদামি। চোখের রং হলুদ, পা ও আঙুলের রং সবজে বাদামি। মেয়ে পাখির রং পুরোটাই সবুজ, শুধু মাথা ও চিবুকের রং হালকা নীলচে বাদামি। কণ্ঠির পেছনের দিকটা হলদে সবুজ।

ঘন ও হালকা বন, এমনকি চষা জমির গাছপালায় এরা বসবাস করে। সাধারণত পাঁচ-দশটি পাখি দলে থাকে, তবে জঙ্গলের ভেতরে শতাধিক পাখির দলও দেখা যায়। জঙ্গল, বাগান, খামারের ফল-ফুলের গাছে এদের দেখা মেলে। অনেক সময় পাকা ধান ও যবের খেতে হামলা চালায়। ফল, পুরু ফুল, ফুলকুঁড়ি, মধু এদের প্রধান খাদ্য। ওড়ার সময় টুইই-টুইই কর্কশ শব্দে ডাক ছাড়ে। জানুয়ারি থেকে এপ্রিল মাসের মধ্যে এরা বাচ্চা তোলে। এরা সাধারণত লম্বা গাছের কোটরে বাসা বানায়। চার থেকে ছয়টি সাদা ডিম পাড়ে। খুব অল্প পরিমাণ ফুলটুসি বাংলাদেশের সিলেট এলাকায় স্থায়ীভাবে বাস করে।
লালামাথা টিয়ার ইংরেজি নাম Plum-headed Parakeet এবং দ্বিপদী বা ল্যাটিন নাম Psittacula cyanocephala. ২ টি উপপ্রজাতির মধ্যে বাংলাদেশে Psittacula roseata roseate পাওয়া যায়।

Read More

ককাটেল

ককাটিয়েল(Cockatiel) আমাদের দেশে এটি ককাটেল নামেই পরিচিত। ককাটেলও বাজরিগারের মতো প্যারাকিট প্রজাতির পাখি। শারীরিক গঠন লম্বাটে ও লেজ টিয়া পাখির মতো লম্বা হলেও এরা কখনোই সবুজ রংয়ের ছিল না বা এখন পর্যন্ত কোনো মিউটেশন হয়নি। এর আদি নিবাস প্রধানত অস্ট্রেলিয়ার উপকূল অঞ্চল। ককাটেল পাখি অরণ্যে শুধু ধূসর রংয়ের হয়ে থাকে। ককাটেল পাখির প্রধান আকর্ষণ হলো তার মাথার ওপর ঝুঁটি এবং দুই গালে লাল ফোঁটা এই পাখির সৌন্দর্য আরও এক ধাপ বৃদ্ধি করেছে। এই ঝুঁটি থাকার কারণেই এই পাখিকে কেউ কেউ ছোট কাকাতুয়াও বলে থাকে। এর বাহারি মিউটেশন ক্রমেই বাড়তে থাকে যেমন—পার্ল, পাইড ফন, হলুদ, প্রিমরোজ ও সবশেষে আসে গালের লাল ফোঁটা ছাড়া হোয়াইট ফেস্ ককাটেলের অপূর্ব বেশকিছু মিউটেশন।
খাদ্যাভ্যাস : এর খাবারের তালিকা ও খাদ্য মিশ্রণ উপাদান অনেকটা লাভ বার্ড পাখির মতো।
এছাড়াও যেসব পাখি আমাদের দৃষ্টি কাড়ে তার মধ্যে অন্যতম স্পেনজেল, যাদের পিঠের পালকের শেষের অংশ কালো, অরিজিনাল ড্যানিস (সাদা, আকাশি রংয়ের সঙ্গে কালোর অল্প মিশ্রণ), ড্যানিস পাইড (হলুদ-সবুজের সঙ্গে কালোর অল্প মিশ্রণ), ইংলিশ, বাংলিশ, ফিনসসহ ৪০ জাতের পাওয়া যায়। এর মধ্যে গোল্ডেন ফিনস, লংটেল ফিনস, জেব্রা ফিনস অন্যতম। গোল্ডেন ফিনস তিন ধরনের দেখা যায়—রেড হেড, ব্ল্যাক হেড ও ইয়েলো হেড। ৭-১০ রকমের রংয়ের মিশ্রণ থাকে রেড হেড ফিনসে। লংটেল ফিনস অন্য সব ফিনস থেকে ভিন্ন হয় তার বড় লেজের কারণে। এর ঠোঁট লাল-কমলা রংয়ের হয়। ৩-৪ রকমের রংয়ের মিশ্রণ এর শরীরে এবং এর চোখ কাজল দেয়ার মতো। চতুর পাখি হিসেবে এটি পরিচিত তার প্রতিনিয়ত দুরন্তপনায়।

Read More

বাজরিগার

প্যারোট জাতীয় পাখিদের মধ্যে যেসব পাখির শারীরিক গঠন টিয়া পাখির মতো এবং লেজ লম্বাটে হয়, সেসব পাখিকে প্যারাকিট প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বাজরিগার(Budgerigar) সেই প্যারাকিট প্রজাতির পাখি। এর আদি নিবাস প্রধানত অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূল অঞ্চল। অরণ্যে (বন্য) বাজরিগার শুধু সবুজ রংয়ের হলেও খাঁচায় প্রজনন শুরু হওয়ার পর এর পালকে আসে বিভিন্ন রংয়ের সমাহার। যেমন—সাদা, হলুদ, নীল, বেগুনি, অলিভ, আসমানি, ধূসর, ফিরোজাসহ অনেক একক রং ছাড়াও ড্যানিস পাইড, ডমিন্যান্ট পাইড, রেসিসিভ পাইডসহ অসংখ্য মিউটেশন। পরেবর্তী সময়ে প্রশস্ত মাথাওয়ালা এবং শারীরিক আকার দ্বিগুণ বৃদ্ধি করাসহ ইংলিশ বাজরিগার নামে এক নতুন প্রজাতির আবির্ভাব হয়।
খাদ্যাভ্যাস : খাদ্যাভ্যাসের ক্ষেত্রে লাভ বার্ডের সঙ্গে কিছু কিছু মিল থাকলেও অমিলও রয়েছে। যেমন—কাউন, চীনা, তিল, তিশিদানা, পোলাওয়ের চালের ধান, সূর্যমুখী ফুলের বীজ ইত্যাদি। শাকসবজি ও নরম খাবারের তালিকা লাভ বার্ডের খাদ্যাভ্যাসের মতো। যে পরিমাণ উপাদান মিশিয়ে খাদ্য মিশ্রণ তৈরি করা যেতে পারে তা এ রূপ—
১. কাউন — ১ কেজি
২. চীনা — ২.৫ কেজি
৩. পোলাওয়ের চালের ধান — ৫০০ গ্রাম
৪. সূর্যমুখী ফুলের বীজ — ৫০০ গ্রাম
৫. তিল/গুজি তিল — ২৫০ গ্রাম
৬. তিশিদানা — ২৫০ গ্রাম
Budgerigar Parrot Bird

Read More

লাভ বার্ড

এই পাখিদের মধ্যে ভালোবাসার প্রকাশ এত বেশী যে এদের নামই হয়ে গেছে 'Lovebird'. পৃথিবীতে মোট ৯ প্রজাতির লাভবার্ড বুনো অবস্থায় পাওয়া যায়। এদের মধ্য ৮ প্রজাতিই আফ্রিকায় থাকে। তবে বর্তমানে সমগ্র পৃথিবীতে লাভবার্ড বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন ও বিক্রি করা হয়।
আফ্রিকার অরণ্যে রেকর্ডকৃত যে ৯টি প্রজাতির লাভ বার্ডের সন্ধান পাওয়া যায়, তার মধ্যে আমাদের দেশে পাওয়া যায় মাত্র ২টি প্রজাতি। যথা :
১. ফিশার্স লাভ বার্ড ও ব্ল্যাক মাস্ক লাভ বার্ড (রিং গ্রুপ)
এবং
২. পিচেফস্ড লাভ বার্ড (নন-রিং গ্রুপ)।
এর মধ্যে ফিশার্স লাভ বার্ডের প্রধান আকর্ষণ হলো, তার চোখের চারপাশ ঘিরে সাদা মোটা রিং দিয়ে ঘেরা, সেজন্য এই পাখিকে রিং গ্রুপ বলে চিহ্নিত করা হয়। এটি দেখতে অনেকটা টিয়া পাখির মতো হলেও লেজ বেশি লম্বা হয় না।
আর অন্যদিকে পিচফেস্ড লাভ বার্ডের কপালসহ দুই গাল ও গলা পর্যন্ত পিচ্ফলের মতো লাল বর্ণের হয় বলে এই প্রজাতিকে পিচেফস্ড লাভ বার্ড বলে। এর ঠোঁটের রং ফিকে গোলাপি এবং পা ধূসর রংয়ের হয়। উপরোক্ত বৈশিষ্ট্য ঠিক রেখে পাশ্চাত্যের বিভিন্ন প্রজননকারী উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে বের করেছেন ৫০০-এর অধিক রং বা নতুন মিউটেশন। আমাদের দেশেই প্রায় ৫০ রংয়ের পাওয়া যায়।
খাদ্যাভ্যাস : লাভ বার্ড(Love Bird) পাখির সব খাবার উপকরণ আমাদের দেশের প্রায় হাটে-বাজারেই পাওয়া যায়। যেমন—চীনা, ধান, সূর্যমুখী ফুলের বীজ, কুসুম ফুলের বীজ ও গম। এর পাশাপাশি কিছু সবুজ শাকসবজি যখন যা পাওয়া যায় (পালং শাক, কলমি শাক, গাজর, বরবটি) ও নরম খাবার যেমন—ভেজা পাউরুটি, ভেজা ছোলা ও সেদ্ধ বা কচি ভুট্টা দিতে হয়, বিশেষ করে বাচ্চা ফোটার পরপর।
খাবার তৈরি করতে যে পরিমাণ উপাদান মিশিয়ে খাদ্য মিশ্রণ তৈরি করা যায় তা এ রূপ—
১. চীনা — ৪ কেজি
২. ধান — ৫০০ গ্রাম
৩. সূর্যমুখী ফুলের বীজ — ৩০০ গ্রাম
৪. কুসুম ফুলের বীজ — ১৫০ গ্রাম
৫. গম/বাজরা — ২০০ গ্রাম

Read More