Showing posts with label চড়ুই(Sparrow). Show all posts
Showing posts with label চড়ুই(Sparrow). Show all posts

তুতি পাখি

চড়ুই জাতিরই আর একটা পাখি হল তুতি পাখি। শীতকালে এই পাখীরা আমাদের দেশে বেড়াতে আসে। চৈত্র মাস পড়লেই অন্যদেশে চলে যায়। তুত ফল খেতে ভালোবাসে বলে এদের তুতি বলা হয়। পাখিগুলি দেখতে খুব সুন্দর। এদের পিঠের রং খয়েরী বা কালো কিন্তু বুক গলা, মাথার রঙ গোলাপী। এটা পুরুষ পাখিদের গায়ের রঙ। স্ত্রী পাখিদের পালকে এত রঙের বাহার নেই। তবে চড়ুইদের মত এরা গৃহস্থলে বাসা বাধে না। বাগনে বেড়াবার সময় খোঁজ করলে হয়তো দু-একটা নজরে পড়বে।

Read More

ওয়ার্দেন চড়ুই

সারাবিশ্বে মাত্র কয়েক শ' ওয়ার্দেন চড়ুই বেঁচে আছে। তবে পাখিটা কোথায় কিভাবে ডিম পাড়ে সর্বশেষ আবিষ্কারের আগ পর্যন্ত তেমন কিছুই জানা যায়নি। ওয়ার্দেন চড়ুইয়ের জীবতাত্তি্বক নাম স্পাইজিলা ওয়ার্দেনি।
প্রথমে আবিষ্কৃত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে নিউ মেক্সিকোর সিলভার সিটির কাছে ১৮৮৪ সালের ১৬ জুন একটি মাত্র চড়ুই ধরা পড়েছিল। আগে মেক্সিকো মালভূমির অধিকাংশ এলাকাজুড়ে এই পাখিটিকে দেখা যেত। এখন মেক্সিকোর উত্তর-পূর্বাঞ্চলে গুটিকয়েক জায়গাতেই শুধু দেখা যায়, যার ফলে এটি উত্তর আমেরিকার বিরলতম চড়ুইয়ের একটিতে পরিণত হয়েছে।
ওয়ার্দেন চড়ুইয়ের ঝাঁক কখনও কখনও শীতকালে দেখা গেলেও গ্রীষ্মকালে এরা কোথায় থাকে ও বংশবিস্তার করে সে সম্পর্কে তেমন কিছু জানা ছিল না। অথচ এই তথ্যটা প্রজাতির ভবিষ্যত রক্ষা করার জন্য গুরম্নত্বপূর্ণ ছিল।
ওয়ার্দেন চড়ুই উচ্চতায় গড়ে ১৩ সে.মি.। মাথার স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য দেখে এদের সহজেই শনাক্ত করা যায়। এর ধূসর মাথায় পিঙ্গল ঝুঁটি, বাদামী দাগ এবং গোলাপী ঠোঁট। সামগ্রিকভাবে এটা সাধারণ মেঠো চড়ুইয়ের মতোই দেখতে। তবে পালকগুলো ভারি অদ্ভুত। আর শুকনো কম্পমান সুরে কুচ্ কুচ্ আওয়াজ তুলে গান গায়। মে থেকে জুলাই পর্যনত্ম সময়ের মধ্যে এরা বাসা বেঁধে ডিম পাড়ে। সাধারণত ৩ থেকে ৪টা ডিম দেয়।
-এনামুল হক

Read More

চড়ুই

আমাদের দেশে মাত্র দুই প্রজাতির চড়ুই পাখি দেখা যায়। যার মধ্যে গেছো চড়ুই (Passer montanus) ও পাতি চড়ুই (Passer domesticus)।


চড়াই মাটিতে বেড়াবার সময় লাফিয়ে চলে। এমনিতে এরা বেশ দল বেধে চরতে বের হয়। কিন্তু ডিম পাড়বার আগে নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করে, তখন কেউ কাউকে ক্ষমা করে না। পায়ে পা বাধিয়ে চিৎকার করতে করতে মাটিতে গড়াগড়ি দেয়। ঘাসের বীজ ও অন্য শস্যই চড়ুইদের প্রধান খাদ্য। মাটি থেকে শস্য খুটে খেতে হয় বলে এদের ঠোটগুলো বেশ মোটা ও শক্ত। অন্য পাখিরা গোছল করে পানি দিয়ে আর চড়ুই গোছল করে ধূলা দিয়ে। দুটো তিনটে চড়ুই কিছুক্ষন ধূলোতে লুটোপুটি খেয়ে গা ঝাড়া দিতে প্রায়ই দেখা যায়।
চড়ুই পাখি ছোট হলেও বৈশাখ-জৈষ্ঠ মাসে বাসা বাধে। স্ত্রী-পুরুষ মিলে চরচর রবে বাসা বাধার কাজ করে আর উড়াউড়ি করে। একই ঘরে যদি দুই জোড়া চড়ুই বাসা করে তাহলে দিনের মধ্যে দশবার ওদের মধ্যে ঝগড়া হয়।

Read More

পাতি চড়ুই

গৃহে বসবাসকারী পাতি চড়ুই খুবই মানুষঘেঁষা, কিন্তু এরা অনেকটা চালাক এবং মানুষের কাছ থেকে একটু দূরে থাকতে চায়। কাছে গেলেই ঝোপালো গাছের পাতি ডালে চলে যায়। বিশেষ করে, ধারেকাছে যদি বরইগাছ থাকে। দলের একটি উড়াল দিলে বাকিগুলোও একে একে উড়ে যায়। পথচারীদের ফেলে দেওয়া চিনাবাদামের দানা খেতে পিচঢালা সড়কেও নামে। ঘাসের মধ্যেও পোকামাকড় খুঁজে বেড়ায় জোড়া পায়ে লাফিয়ে লাফিয়ে।

গ্রামে, মাঠের কাছে, ঝোপ-জঙ্গলে, নদীর ধারে, শহরের চালের গুদামের কাছে সদলবলে থাকে। সব সময় একই সুরে ডাকে। ঝোপালো গাছে, পুরোনো ভবনের ভেন্টিলেটরে বাসা করে মার্চ থেকে আগস্ট মাসে। চার থেকে ছয়টি ডিম পাড়ে। ছানা ফুটতে ১৩ দিন লাগে। ছানারা উড়তে শিখলে বড়দের সঙ্গে মাঠে যায় খাবার খেতে।

বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, নেপাল, পাকিস্তান, জাপান, কোরিয়া, ইরান, ভুটান, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, চীন, ইন্দোনেশিয়া ও মিয়ানমারে এরা আছে। এই পাখির দৈর্ঘ্য ১৫ সেন্টিমিটার, ইংরেজি নাম Eurasian Tree Sparrow। খাবারের তালিকায় আছে শস্যদানা, ফল, কচি ঘাসের ডগা ও বীজ, ছোট কীটপতঙ্গ ও ফুলের কুঁড়ি।

Read More

গেছো চড়ুই

গেছো চড়ুই (Passer montanus) ছেলে ও মেয়ে পাখি দেখতে একই রকম এবং মাথা, ঘাড় ও পুরো মুকুটের পালকের রং মরচে বাদামি বা চকলেট বাদামি।
গেছো চড়ুই খুবই কম সংখ্যায় আমাদের দেশে দেখা যায়।


Read More