7.2.11

কোয়েল

কোয়েল৷ এই পাখীর বৈজ্ঞানিক নাম কটুরনিক্স কটুরনিক্স জাপোনিকা৷ জাপানি কোয়েলের মাংস ভীষণ সুস্বাদু এবং সংপৃক্ত চর্বি ও কোলেস্টেরলের মাত্রা ব্রয়লার অপেক্ষা কম৷ ফলে হৃদরোগীর পক্ষে কোয়েলের মাংস গ্রহণযোগ্য৷ অপরদিকে কোয়েলের হাড়ের তুলনায় মাংসের ভাগ বেশী থাকে এবং কোয়েলের মাংসের ড্রেসিং পার্সেন্টেজ ব্রয়লারের মতোই প্রায় ৭৫ শতাংশ৷ শিশুখাদ্য হিসাবে কোয়েলের মাংস নরম, সহজে হজমকারী ও পরিপাককারী৷


কোয়েলের মাংস ও ডিম অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ থাকে৷
কোয়েল শহরে ছাদে বা সিঁড়ির ধারে খাঁচায় অল্প জায়গায় পালন করা যায়। মাত্র ৪০ দিন বয়সেই কোয়েল ডিম দেয়া শুরু করে ও মাংস হিসেবে খাওয়া যায়। শিশুদের কোয়েলের ডিম অত্যন্ত প্রিয়। গবেষণায় দেখা গেছে, কোয়েল পালনে দ্বিগুন লাভ হয়। কোয়েলের মাংস ও ডিম হূদরোগীদের জন্য উপকারী। অল্প পুঁজিতে বাণিজ্যিকভাবে পালন করা যায়। এছাড়াও অধিক মাংস উৎপাদনক্ষম ভ্যারাইটি উদ্ভাবনে গবেষকরা গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এসব কোয়েল পালনে করণীয় নিয়ে বিজ্ঞানীরা জানান, খাঁচায় প্রতি বর্গফুটে ৬টি ও ফ্লোরে ৩টি কোয়েল পালন করা যায়। ডিম পাড়া একটি কোয়েল প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ গ্রাম খাবার খায়। বাচ্চা অবস্থায় ঘরের তাপমাত্রা কমপক্ষে ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রাখতে হবে। ডিম পাড়ার সময় কোনোভাবে তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা যাবে না। খাদ্যে প্রোটিন ২৪ শতাংশের উপরে ও ভিটামিন-এ পর্যাপ্ত পরিমাণ দিতে হবে। একটি ডিমের ওজন প্রায় ৮ থেকে ১০ গ্রাম হয়। মাংস উৎপাদনের একটি কোয়েলকে ৪০ দিন বয়স পর্যন্ত প্রায় ৬০০ গ্রাম খাদ্য দিতে হবে। এ বয়সে একটি কোয়েল প্রায় ১৪০ থেকে ১৬০ গ্রাম ওজন লাভ করে। ঘরের আলো ও বাতাস যেন ঠিক থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। খাবার সময় মত দিতে হবে। কোনো বাচ্চা আহত হলে তা আলাদা রেখে সুস্থ করতে হবে।

Source: ScriptIttefaq
Image Wiki Pedia

2 comments:

Dr.partho said...

ছেলে কোকিল আর কোয়েল/তিতির কি একই?দুনম্বর ছবিতে ছেলে আর মেয়ে কোকিল দেখা যাচ্ছে।
বিস্তারিত তথ্য চাই।

March 24, 2012 at 10:37 AM
Dr.partho said...

তিতির(Grey Patridge) আর কোয়েল আলাদা দুটি পাখি

April 10, 2012 at 9:26 PM

Post a Comment